Using AMP with Jekyll

I decided to make AMP work with Jekyll after I was heartbroken by the mess called Facebook instant article. AMP is easier, but if you want to use it with jekyll, there are two options: either use a theme that allows posting AMP articles, or using a plugin that makes AMP versions of your existing posts. The second option is obsolete, and I did not want to change my theme. Moreover, there is also this issue of AMP not supporting a lot of things like syntax highlighting and what not, and I did not want to make _all_ of my posts AMP based. So I had to make my own option: create a manual-ish approach that automates everything as much as possible with me having a fine degree of control on what gets to be converted.
Read More

একাডেমিক সাইটেশন, রিসার্চগেট আর জার্নাল ভিত্তিক স্কোরিং - কতটা যুক্তিযুক্ত?

একাডেমিয়াতে গবেষণার বিকল্প নেই। আর সেই গবেষণায় কে কতটা ভালো তা বুঝতে বা আন্দাজ পেতে আমরা নানারকম ভাবে "মেট্রিকস" বা মাপজোকের চেষ্টা করি। কিন্তু সেই মাপজোকের চেষ্টায় কিছু ঝামেলা (বা বায়াস) আমরা নিজের অজান্তেই করে ফেলি। এগুলো নিয়ে কিছু সাবধাণতা অবলম্বন করা দরকার সবারই, সে বিষয়েই এই লেখাটা:
Read More

গপ্পো - প্রাণী

প্রাণী বিজ্ঞান ক্লাসের অমিম হাত উঁচিয়ে তুললো: স্যার! প্রাণ থাকলেই কি প্রাণী বলে?

প্রিষম স্যার স্মিত হাসলেন, তারপরে বলা শুরু করলেন ধীরে ধীরে, তাঁর স্বভাব সুলভ গমগমে গলায়: খুবই ভালো প্রশ্ন করেছো। প্রাণ থাকলেই যদি প্রাণী হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে আমরা কি একটা প্রাণী হিসাবে নিজেদের বলতে পারি? আমাদের শরীরের প্রতিটা কোষের আলাদা জীবন আছে, এন্টিবডি আছে, আবার হজম প্রক্রিয়ায় অণুজীব আছে - তারা প্রত্যেকেই বাঁচে, মরে - আমরা বেঁচে থাকা অবস্থাতেই। তাহলে আমরা কি প্রাণী? নাকি আমরা প্রাণী সমষ্টি? কি মনে হয় তোমাদের?

ক্লাসের একটু ফাঁকিবাজ কানতু শুঁড় উচিয়ে বললো, স্যার আমরা মনে হয় দুইটাই। আমরাও প্রাণী, আমাদের কোষগুলোও প্রাণী। সবগুলাই প্রাণী।

প্রিষম স্যার হাসলেন, তারপরে বললেন - তোমার কথাটা ঠিক। সবগুলোই প্রাণী, আর প্রাণ থাকলেই আমরা প্রাণী বলছি। তবে আমাদের সাথে এই কোষগুলোর একটা ছোট্ট পার্থক্য আছে - সেটা হচ্ছে চিন্তা করার সক্ষমতা।

Read More

আত্মহত্যা: কিভাবে ঠেকানো যায়, আর আমাদের ভূমিকা

আত্মহত্যা থামানোর জন্য কি করা যায়, শিক্ষক, ছাত্র (পড়ুন বন্ধু) এবং কর্মচারী হিসেবে - এই বিষয়ে ১লা জুলাই একটা ওয়ার্কশপ হলো William & Mary তে। আমেরিকায় কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে মৃত্যুর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কারণ আত্মহত্যা। প্রতি বছর প্রায় ৪৫,০০০ শিক্ষার্থী মারা যায় আত্মহত্যা করে! বাংলাদেশেও প্রায় ৬৫লাখ মানুষ আত্মহত্যার ঝুঁকিতে আছেপ্রতিদিন প্রায় ২৯জন মারা যাচ্ছে বাংলাদশে আত্মহত্যা করে। উইলিয়াম মেরি তো আরেক কাঠি বাড়া - পরিচিতই ছিলো Suicide School হিসেবে!

বর্তমানে অবশ্য ধীরে ধীরে অবস্থার উন্নতি হয়েছে - উইলিয়াম মেরি এখন আমেরিকায় আন্ডারগ্রেড লেভেলে অনেক কেয়ারিং স্কুল হিসাবে র‍্যাংকিং এ আসে নিয়মিতই। তার উপরে উইলিয়াম মেরির শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে সুখী শিক্ষার্থী আমেরিকায় - এমন র‍্যাংকিং তো আছেই ! অনেকগুলো পদক্ষেপের মাঝে ওরা যেটা করে সেটা হলো নিয়মিত আত্মহত্যা ঠেকানো (সুইসাইড প্রিভেনশন) বিষয়ে ওয়ার্কশপ করে। ওয়ার্কশপ নেন সাইকোলোজিস্টরা, আর শিক্ষকতা লাইনে যারা আছেন তারা মিলে। আমার এটায় এটেন্ড করার জন্য আরো বেশি আগ্রহ ছিলো কারণ আমি ব্যক্তিগত ভাবে অন্ততঃ তিনজনকে চিনি যারা কোন না কোন সময় আত্মহত্যা করতে চেয়েছে। আরো বেশি চেয়েছি কারণ বাংলাদেশে প্রায়ই শুনি মানুষ আত্মহত্যা করেছে - কোন না কোন কারণে। আত্মহত্যা হবার পরে অনেক আহা উহু ইত্যাদি জানতে পারলেও আত্মহত্যার অশনিসংকেত কি, কি দেখে বুঝা যেতে পারে কেউ আত্মহত্যা করতে পারে, এবং কিভাবে তাকে সাহায্য করা যায় - এ বিষয়ে জানার আগ্রহ থেকেই যাওয়া।

Read More

টাইমস এর র‍্যাংকিংয়ে নেই একটিও বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয় - আমার "মতামত"

টাইমস হায়ার এডুকেশন র‍্যাংকিং নিয়ে বেশ কিছু আলাপ আলোচনা দেখছি গত কয়দিন ধরেই। অনেকে হাহাকার করছেন, অনেকে হাসাহাসি করছেন কেন এখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা আর কারো নাম নাই, অনেকে বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে ফেলছেন।

একই ওয়েবসাইটে ২০১৮ সালের র‍্যাংকিং এ পুরো বাংলাদেশ থেকে কেবল মাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিলো এশিয়ান র‍্যাংকিং এ, তাও প্রথম ৩০১-৩৫০ ক্যাটাগরিতে, এক বছরে এত খারাপ করলো যে ২০১৯ সাল এর র‍্যাংকিং এ বেমালুম বিলুপ্ত হয়ে গেল? একদম নাই?

আমি ভাবলাম ব্যাপারটা একটু ঘেঁটে দেখি।

Read More