আমেরিকায় পড়াশুনা (১) - আত্মসম্মানবোধ

আমেরিকায় এসেছি ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে, পিএইচডির খোঁজে। সেই পিএইচডি, যার শুরুকে বলা হয় পড়াশুনার আর গবেষণার যাত্রায় শিক্ষার্থী হিসাবে শেষ ধাপ, আর গবেষক হিসাবে প্রথম ধাপ। মজার ব্যাপার - Ph.D. এর পূর্নরূপ Doctor of Philosophy - এখানে ডক্টর বলতে কি বুঝায়, আর সেখানে দর্শনেরই বা যায়গা কোথায় - তা আমরা অনেকে জানি না। জানি খালি এটা করলে নামপর আগে DR. লাগানো যায়, আর মানুষজন ডক্টর বলে ডাকে। এটার সম্মান এবং আভিজাত্যের কারণে আমাদের দেশে (এবং আমেরিকায় সহ অনেক দেশেই) অনেক প্রতিষ্ঠানে অবশ্য এখন সস্তায় পিএইচডি পাওয়া যায়। সরকারি প্রতিষ্ঠানেও কিছু কনসালটেন্ট দেখেছি যাদের নামের আগে ড: ব্যবহার করেন, এবং তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খোঁজ নিলে দেখা যায় সেগুলো নামকাওয়াস্তে পিএইচডি দিচ্ছে। পার্থক্য হচ্ছে আমেরিকায় বা অন্যান্য উন্নত দেশে পিএইচডি দেখলে খবর নেয় কোন প্রতিষ্ঠানের, পিএইচডি করার সময় কি গবেষণা করেছে, সুপারভাইজর কে ছিলেন, আর আমরা দেখি খালি নামের আগের ডঃ টা।

যাকগে, আমেরিকার পড়াশুনা নিয়ে বলতে গেলে সেটার সম্পূর্ণ চিত্র কখনোই পাওয়া যাবে না আমার লেখা থেকে; উইলিয়াম মেরি যতই প্রেস্টিজিয়াস হোক আর খ্যাতিমান হোক - আমেরিকায় কয়েকশো ইউনিভার্সিটির একটা মাত্রই এটা। তার উপরে আমি আছি কম্পিউটার সায়েন্স ডিপার্টমেন্টে - অনেক গুলো ডিপার্টমেন্টের একটা! তো আমার লেখাও হবে ওগুলো নিয়েই। আজকের লেখা শুরু Honor Code বা আত্মসম্মান কোড নিয়ে। উইলিয়াম মেরিতে এসেই আমাদের সবাইকে একটা প্রতিজ্ঞা করতে হয়েছিলো, সেটা হলো:

As a member of the William and Mary community, I pledge on my honor not to lie, cheat, or steal, either in my academic or personal life. I understand that such acts violate the Honor Code and undermine the community of trust, of which we are all stewards.

Read More →

Installing Ubuntu in NVidia Optimus / Prime Laptop - Acer Nitro 5

Got anything like Try Ubuntu Freezes, Try Kubuntu Freezes, Ubuntu Nvidia Prime, kubuntu dell smbios unable to tun on non dell system for installing? You might try this.

Read More →

সুইডেনের পথে, ICSE এর সাথে - পর্ব ৪

ঘুম থেকে উঠেই তড়াক করে রেডি হতে গেলাম। হিসাব করে দেখলাম খাওয়ার সময় নেই, কারন অপিরিচিত জায়গা, সব বুঝে শুনে উঠতেই সময় চলে যাবে। কনফারেন্স ব্রেকফাস্ট দিবে, কাজেই ওটা নিয়ে বেশি চিন্তা না করলেও চলে। বাসা থেকে ব্লেজার এনেছিলাম, কিন্তু তাপমাত্রার অবস্থা দেখে বুঝলাম ওটা পরে যাওয়া যাবে না, ঘেমে নেয়ে বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা হবে। সুতরাং শার্ট প্যান্ট পরেই দৌড়।

Read More →

সুইডেনের পথে, ICSE এর সাথে - পর্ব ৩

আমি যে হোস্টেলে উঠেছি সেটা বেশ পরিচিত। হাজার খানেক ৫ তারা পেয়েছে আমার আগের অভিযাত্রীদের থেকে। তো ওখানে ঢুকে নাম ঠিকানা বলে বুকিং অনুসারে রুমের চাবি নিলাম। তার পরেই প্রশ্ন, ইন্টারনেট লাগবে? হু বলতেই একটা কাগজ ধরিয়ে দিলো যেটায় পাসওয়ার্ড লেখা। পাসওয়ার্ড এর বাংলা করলে দাঁড়ায়, “তুমি অনেক অনেক লক্ষী”। রিসেপশনে যিনি ছিলেন এমনিতেই তার ব্যবহার অসাধারণ। আমিও সুন্দর করে তাই বলে দিলাম, তুমি অনেক অনেক লক্ষী! রুমে ঢুকে দেখি সিস্টেম বেশ মজার। আগেই বুঝিয়ে দিয়েছিল একটা কাগজে আমার নাম আর কত তারিখে চলে যাবো সেটা লিখে দিয়ে যে রুমে গিয়ে প্রথম কাজ কি হবে। রুমে ১৬টা বিছানা, দুই স্তরে থাক করে। প্রতি বিছানার সাথে একটা সংখ্যা দেয়া, সংখ্যার পাশে ওই কাগজ রাখার জায়গা। সেই একই সংখ্যা লেখা একটা ট্রাংক ও আছে, তালা মারা যায়। যে বিছানা কেউ দখল করতে চায় সে দেখে আগে ওই বিছানায় কেউ আগেই কাগজ দিয়েছে নাকি। না দিলে সে কাগজ রেখে দিলেই অন্যরা বুঝে যাবে এটা দখল করা বিছানা, ওই তারিখ পর্যন্ত। আমিও সুন্দর করে একটা খালি বিছানা দখল করে ফেললাম, সেখানের ট্রাংক এ নিজের লাগেজ রেখে তালাও মেরে দিলাম। আগেই ওরা বিছানার আর কম্বলের চাদর দিয়ে দিয়েছিল, সেগুলো বিছিয়ে রেখে বার হলাম ঘর থেকে।

Read More →

সুইডেনের পথে, ICSE এর সাথে - পর্ব ২

স্টকহোম থেকে গোটেবর্গ (লোকাল উচ্চারণ) আসার জন্য উঠেছিলাম SAS এর প্লেনে। এদের প্লেনে আবার ক্লাসিফিকেশন আছে লোকাল ফ্লাইটেও। যেমন SAS plus একাউন্ট থাকলে লাইনে আপনাকে আগে ঢুকতে দিবে, প্লেনের ভিতরে লেখা থাকবে এই সিটগুলো প্লাসের। আবার খাবারও ওদের বেশি বেশি দিবে। তো উঠার আগে লোকাল টার্মিনালের লাউঞ্জে বসে ছিলাম। ওখানেই দেখলাম 100% গ্রিন পাওয়ার। এরা যে কি পরিবেশ সচেতন বলা যাবে না। যাকগে, আমি প্লাস ছিলাম না বলে আমার প্লেনে কফি খেয়েই সারতে হয়েছে। সাধারণত ডোমেস্টিক ফ্লাইটে ছোট প্লেন ব্যবহার করে, আর ছোট প্লেন বেশি কাঁপে বলে আমার বরাবরই বেশ ভয় লাগে। এই প্লেনটা টেক অফ করার সময় চালকের মুন্সিয়ানার বেশ খুশি হলাম, বাহ - ভালো চালায় তো। কাপাকপি নাই। আগে শুনেছিলাম SAS এর পাইলটরা ক্রেজি, কথাটা অমূলক। ভাবতে না ভাবতেই প্লেন দিলো ডানদিকে টান। এমন টান যে মনে হলো পড়েই যাবো আরেকটু হলে। করে কি করে কি, ভাবতে ভাবতে নীচে তাকিয়ে অবাক হয়ে গেলাম। এমনিতেই সুইডেনে গাছপালায় ভর্তি। একটু উপরে উঠলেই গাছ আর গাছ। সেখানে দেখি বেশ সুন্দর এক একটা বিশাল লেক পার হয়ে যাচ্ছি। আবারও গোটেবর্গ এর কাছে গিয়ে টান মারা অংশটা বাদ দিলে আর তেমন কোন কিছু হয়নি।

Read More →